সীরাত / মক্কার প্রাথমিক যুগ
সাফা পাহাড় থেকে আহ্বান
- তারিখ
- মক্কী যুগের শুরুর দিকে · আনুমানিক
- স্থান
- সাফা পাহাড়, মক্কা
- ব্যক্তি
- আবু লাহাব
'আর আপনার নিকটাত্মীয়দের সতর্ক করুন' (২৬:২১৪) নাযিল হলে নবী ﷺ সাফা পাহাড়ে উঠে কুরাইশ গোত্রগুলোকে ডাকেন — সহিহ বুখারিতে ইবনে আব্বাস (রাঃ)-এর বর্ণনা।
যেভাবে বর্ণিত হয়েছে
ঘটনাটি — যাঁরা সেখানে ছিলেন তাঁদের ভাষায়
ধীরে ধীরে পড়ুন। যাচাইকৃত হাদিস গ্রন্থ থেকে এগুলো সাহাবিদের নিজেদের কথা।
حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ حَفْصِ بْنِ غِيَاثٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، قَالَ حَدَّثَنِي عَمْرُو بْنُ مُرَّةَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ـ رضى الله عنهما ـ قَالَ لَمَّا نَزَلَتْ {وَأَنْذِرْ عَشِيرَتَكَ الأَقْرَبِينَ} صَعِدَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم عَلَى الصَّفَا فَجَعَلَ يُنَادِي " يَا بَنِي فِهْرٍ، يَا بَنِي عَدِيٍّ ". لِبُطُونِ قُرَيْشٍ حَتَّى اجْتَمَعُوا، فَجَعَلَ…
اخْفِضْ جَنَاحَكَ ‘‘তোমার পার্শ্ব নম্র রাখ। ৪৭৭০. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন وَأَنْذِرْ عَشِيْرَتَكَ الْأَقْرَبِيْنَ এ আয়াত অবতীর্ণ হল, তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাফা (পর্বতে) আরোহণ করলেন এবং আহবান জানালেন, হে বানী ফিহর! হে বানী আদী! কুরাইশদের বিভিন্ন গোত্রকে। অবশেষে তারা জমায়েত হল। যে নিজে আসতে পারল না, সে তার প্রতিনিধি পাঠাল, যাতে দেখতে পায়, ব্যাপার কী? সেখানে আবূ লাহাব ও কুরাইশগণও আসল। তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, বল তো, আমি যদি তোমাদের বলি যে, শত্রুসৈন্য উপত্যকায় চলে এসেছে, তারা তোমাদের উপর হঠাৎ আক্রমণ করতে প্রস্তুত, তোমরা কি আমাকে বিশ্বাস করবে? তারা বলল, হাঁ আমরা আপনাকে সর্বদা সত্য পেয়েছি। তখন তিনি বললেন, ‘‘আমি তোমাদের…
আল্লাহ যা নাযিল করেছেন
وَأَنذِرۡ عَشِيرَتَكَ ٱلۡأَقۡرَبِينَ
আপনি নিকটতম আত্মীয়দেরকে সতর্ক করে দিন।
শিক্ষা
- সত্য খোলাখুলি পৌঁছে দিতে হয়, নিকটজনদের দিয়ে শুরু করে — তারা প্রত্যাখ্যান করলেও।
শিক্ষাগুলো ঘটনা ও তার উৎস থেকে নেওয়া সম্পাদকীয় ভাবনা।
একটু থামুন
এই ঘটনা আপনার জীবনের কোন মুহূর্তের কথা মনে করিয়ে দেয়? এক মিনিট ভাবুন, তারপর যিনি এই জীবন যাপন করেছেন তাঁর ﷺ উপর দরুদ পড়ুন।
দরুদ পড়ুন ﷺগ্রন্থপঞ্জি
- সহিহ বুখারি ৪৭৭০ (ইবনে আব্বাস) · মূল উৎস
- ইবনে হিশাম, আস-সীরাতুন নাবাবিয়্যাহ (আরও পড়ার জন্য)
- ইবনে কাসীর, আস-সীরাতুন নাবাবিয়্যাহ (আরও পড়ার জন্য)
- সফিউর রহমান মোবারকপুরী, আর-রাহীকুল মাখতূম (আরও পড়ার জন্য)