সীরাত / মক্কা বিজয়
"যদি ফাতিমাও…" — বিচারে কোনো পক্ষপাত নয়
- তারিখ
- ৮ হিজরি · আনুমানিক
- স্থান
- মদিনা / মক্কা
- ব্যক্তি
- উসামা ইবনে যায়েদ (রাঃ), আয়েশা (রাঃ)
সহিহ বুখারিতে আয়েশা (রাঃ) বর্ণনা করেন, মাখযুম গোত্রের এক সম্ভ্রান্ত নারী চুরি করলে উসামা (রাঃ) সুপারিশ করেন; নবী ﷺ তাঁকে ভর্ৎসনা করে বলেন, আগের জাতিগুলো ধ্বংস হয়েছিল ক্ষমতাবানদের ছাড় দেওয়ার কারণে — আর তিনি নিজের মেয়ের ক্ষেত্রেও আইন প্রয়োগ করতেন।
যেভাবে বর্ণিত হয়েছে
ঘটনাটি — যাঁরা সেখানে ছিলেন তাঁদের ভাষায়
ধীরে ধীরে পড়ুন। যাচাইকৃত হাদিস গ্রন্থ থেকে এগুলো সাহাবিদের নিজেদের কথা।
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا لَيْثٌ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ ـ رضى الله عنها أَنَّ قُرَيْشًا، أَهَمَّهُمْ شَأْنُ الْمَرْأَةِ الْمَخْزُومِيَّةِ الَّتِي سَرَقَتْ، فَقَالَ وَمَنْ يُكَلِّمُ فِيهَا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالُوا وَمَنْ يَجْتَرِئُ عَلَيْهِ إِلاَّ أُسَامَةُ بْنُ زَيْدٍ، حِبُّ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَكَلَّمَهُ أُسَامَةُ، فَقَالَ رَسُولُ …
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। মাখযূম গোত্রের এক চোর নারীর ঘটনা কুরাইশের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে অত্যন্ত উদ্বিগ্ন করে তুললো। এ অবস্থায় তারা বলাবলি করতে লাগল এ ব্যাপারে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে কে আলাপ করতে পারে? তারা বলল, একমাত্র রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রিয়তম উসামা বিন যায়িদ (রাঃ) এ ব্যাপারে আলোচনা করার সাহস করতে পারেন। উসামা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে কথা বললেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি কি আল্লাহর নির্ধারিত সীমাঙ্ঘনকারিণীর সাজা মাওকুফের সুপারিশ করছ? অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়িয়ে খুত্বায় বললেন, তোমাদের পূর্বের জাতিসমূহকে এ কাজই ধ্বংস করেছে যে, যখন তাদের মধ্যে কোন বিশিষ্ট লোক চুরি করত, তখন তারা…
শিক্ষা
- মর্যাদার কাছে নত হওয়া বিচার আসলে অবিচার।
- কখনো ভালোবাসা মানে অনুরোধ ফিরিয়ে দেওয়া।
শিক্ষাগুলো ঘটনা ও তার উৎস থেকে নেওয়া সম্পাদকীয় ভাবনা।
একটু থামুন
এই ঘটনা আপনার জীবনের কোন মুহূর্তের কথা মনে করিয়ে দেয়? এক মিনিট ভাবুন, তারপর যিনি এই জীবন যাপন করেছেন তাঁর ﷺ উপর দরুদ পড়ুন।
দরুদ পড়ুন ﷺগ্রন্থপঞ্জি
- সহিহ বুখারি ৩৪৭৫ (আয়েশা) · মূল উৎস
- সফিউর রহমান মোবারকপুরী, আর-রাহীকুল মাখতূম (আরও পড়ার জন্য)