সীরাত / বিদায় হজ
সব সম্পদ দান করতে চাওয়া সা'দ
- তারিখ
- ১০ হিজরি · প্রতিষ্ঠিত
- স্থান
- মক্কা
- ব্যক্তি
- সা'দ ইবনে আবি ওয়াক্কাস (রাঃ)
সহিহ বুখারিতে সা'দ ইবনে আবি ওয়াক্কাস (রাঃ) বর্ণনা করেন, বিদায় হজে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তিনি সম্পদের বেশিরভাগ দান করতে চান; নবী ﷺ শুধু এক-তৃতীয়াংশের অনুমতি দেন, বলেন উত্তরাধিকারীদের সচ্ছল রেখে যাওয়া তাদের পরনির্ভর রেখে যাওয়ার চেয়ে উত্তম, আর স্ত্রীর মুখে তুলে দেওয়া এক লোকমাতেও সওয়াব আছে।
যেভাবে বর্ণিত হয়েছে
ঘটনাটি — যাঁরা সেখানে ছিলেন তাঁদের ভাষায়
ধীরে ধীরে পড়ুন। যাচাইকৃত হাদিস গ্রন্থ থেকে এগুলো সাহাবিদের নিজেদের কথা।
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عَامِرِ بْنِ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ، عَنْ أَبِيهِ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَعُودُنِي عَامَ حَجَّةِ الْوَدَاعِ مِنْ وَجَعٍ اشْتَدَّ بِي فَقُلْتُ إِنِّي قَدْ بَلَغَ بِي مِنَ الْوَجَعِ وَأَنَا ذُو مَالٍ، وَلاَ يَرِثُنِي إِلاَّ ابْنَةٌ، أَفَأَتَصَدَّقُ بِثُلُثَىْ مَالِي قَالَ " لاَ ". فَ…
সা‘দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, বিদায় হাজ্জে একটি কঠিন রোগে আমি আক্রান্ত হলে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার খোঁজ খবর নেয়ার জন্য আসতেন। একদা আমি তাঁর কাছে নিবেদন করলাম, আমার রোগ চরমে পৌঁছেছে আর আমি সম্পদশালী। একমাত্র কন্যা ছাড়া কেউ আমার উত্তরাধিকারী নেই। তবে আমি কি আমার সম্পদের দু’ তৃতীয়াংশ সদাকাহ করতে পারি? তিনি বললেন, না। আমি আবার নিবেদন করলাম, তাহলে অর্ধেক। তিনি বললেন, না। অতঃপর তিনি বললেন, এক তৃতীয়াংশ আর এক তৃতীয়াংশও বিরাট পরিমাণ অথবা অধিক। তোমার ওয়ারিসদের অভাবমুক্ত রেখে যাওয়া, তাদেরকে খালি হাতে পরমুখাপেক্ষী অবস্থায় রেখে যাওয়ার চেয়ে উত্তম। [1] আর আল্লাহ্র সন্তুষ্টি লাভের জন্য তুমি যে কোন ব্যয় করো না কেন, তোমাকে তার বিনিময় প্রদান করা হবে। এমনকি যা ত…
শিক্ষা
- পরিবারের ভরণপোষণও ইবাদত।
- ভারসাম্য: দান যেন নির্ভরশীলদের অভাবে না ফেলে।
শিক্ষাগুলো ঘটনা ও তার উৎস থেকে নেওয়া সম্পাদকীয় ভাবনা।
একটু থামুন
এই ঘটনা আপনার জীবনের কোন মুহূর্তের কথা মনে করিয়ে দেয়? এক মিনিট ভাবুন, তারপর যিনি এই জীবন যাপন করেছেন তাঁর ﷺ উপর দরুদ পড়ুন।
দরুদ পড়ুন ﷺগ্রন্থপঞ্জি
- সহিহ বুখারি ১২৯৫ (সা'দ ইবনে আবি ওয়াক্কাস) · মূল উৎস
- সফিউর রহমান মোবারকপুরী, আর-রাহীকুল মাখতূম (আরও পড়ার জন্য)